কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১৭ এ ০৫:২২ PM

খাদ্য শস্য সংগ্রহ

কন্টেন্ট: সেবা এবং ধাপ

সেবা প্রদানকারী অফিসের নাম

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা/কর্মচারী

সেবা প্রাপ্তির স্থান

প্রয়োজনীয় সময়

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, গুদাম কর্মকর্তা

উপজেলাধীন

স্থানীয় খাদ্য গুদাম

ধান হলে: ০১ থেকে ০২ দিন

চাল হলে: ০৫ থেকে ০৭ দিন

সেবা প্রদানের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

কৃষককে ন্যায্যমূল্য প্রদান নিশ্চিতকল্পে এবং বাজার দর স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে উৎপাদন মৌসুমে কৃষকের নিকট থেকে সরাসরি ধান ও গম ক্রয় করা হয়ে থাকে। কৃষক তার উৎপাদিত ধান/গম গুদামে বিক্রির জন্য নিয়ে আসলে গুদাম কর্মকর্তা ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ওজন ও মান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে মূল্য পরিশোধের নিমিত্তে WQSC (Weight, Quality, Stock Certificate, ওজন ,মান ও মজুদ সার্টিফিকেট) ইস্যু করেন। কৃষক স্থানীয় পেয়িং ব্যাংক হতে WQSC জমা দিয়ে সরাসরি নগদ মূল্য গ্রহণ করেন। একইভাবে মিলার চাল সরবরাহে আগ্রহ প্রকাশ করে আবেদন করলে তার মিলের ক্যাপাসিটি অনুসারে বরাদ্দ দেয়া হয়। নিধার্রিত সময়ের মধ্যে চাল সরবরাহ করলে একইভাবে মূল্য পরিশোধ করা হয়।

সেবা প্রাপ্তির শর্তাবলি

খাদ্য শস্য (ধান, চাল, গম) সংগ্রহ নীতিমালা ২০১০ এর শর্তানুসারে –

  • ধান ও গমের ক্ষেত্রে কৃষক হিসাবে কৃষি বিভাগের প্রত্যয়ন
  • চালের ক্ষেত্রে লাইসেন্সধারী চুক্তিবদ্ধ মিলার
  • ধান, চাল ও গমের মান সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

  • ধান/গম ক্ষেত্রে কৃষক/উৎপাক হিসাবে কৃষি বিভাগের প্রত্যয়ন
  • চালের ক্ষেত্রে মিলারের লাইসেন্স

প্রয়োজনীয় ফি/ ট্যাক্স/ আনুষংঙ্গিক খরচ

  • ধান গমের ক্ষেত্রে খরচবিহীন
  • চাল ক্রয়ের ক্ষেত্রে চুক্তি সম্পাদনের জন্য ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প
  • নীতিমালা মোতাবেক খালি বস্তা ও সরবরাহতব্য চালের জামানত

সংশ্লিষ্ট আইন-কানুন/ বিধি-বিধান/ নীতিমালা

খাদ্য শস্য সংগ্রহ নীতিমালা-২০১০।

নির্দিষ্ট সেবা পেতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী প্রতিকারকারী কর্মকর্তা

  • স্থানীয় অভিযোগ-অনুযোগের নিষ্পত্তি - জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক
  • মিলারের সাথে সালিশী কার্যক্রম নিষ্পত্তি - আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক

সেবা প্রদান/ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অসুবিধাসমূহ

) নাগরিক পর্যায়

  • সরকারি ক্রয় কেন্দ্রের দূরত্ব বেশী হওয়া
  • সংগ্রহের সময় কাল ও মূল্য তাৎক্ষণিকভাবে জানতে না পারা
  • সরকারি নির্দেশনা (খাদ্য শস্যের গুনগতমান) সম্পর্কে সচেতন না থাকা

) সরকারি পর্যায়

  • সংগ্রহ মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা অনুসারে গুদামে স্থান সংকুলান না হওয়া
  • কৃষক/মিলার কর্তৃক অনেক সময় নির্দেশনা মোতাবেক খাদ্য শস্য না নিয়ে আসা
  • যেক্ষেত্রে ঝাড়াই-বাছাই এর প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে ঝাড়াই-বাছাই পদ্ধতি আধুনিক না হওয়া

বিবিধ/অন্যান্য

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন